সস্থু থাকার জন্য ও ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে সালাদ বেশ উপযোগী। কিছু কিছু ভুলের কারণে সালাদেও ওজন বাড়তে পারে।সাস্থের কথা মাথাই রেখে সালাদ বানানো উচিৎ।
সালাদ আমাদের সকলের প্রিয় খাবার ।কী ধরনের উপকরণ এবং খাবার ব্যবহারের ফলে সালাদের আসল গুনাগুনে বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে সই সব এখানে তুলে ধরা হল।কিছু কিছু স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইটে সালাদের এমনই দিক তুলে ধরে যেগুলো সালাদকে অস্বাস্থ্যকর করে ফেলছে যা শরীরে জন্য ক্ষতিকর।
পনির:- পনির স্বাস্থ্যগুনে ভালো, তবে সবকিছুই পরিমাণের অতিরিক্ত খাওয়া ক্ষতিকর। তাই সালাদে অতিরিক্ত পনির খাওয়া ক্ষতিকর। এবং সালাদে মেয়োনেইজ ব্যবহার থেকে বিরত থাকা উচিৎ। স্বাস্থ্যগুণের কথা চিন্তা করে সালাদে আলাদা স্বাদ যুক্ত করতে ফেটা চিজের টুকরা বা মোৎজারেলা ছড়িয়ে দিলেও এর পরিমাণও যতটা সম্ভব কম করে দেওয়া উচিৎ।
সালাদ ড্রেসিং:- বিভিন্ন ধরনের ‘সালাদ ড্রেসিং’ সালাদের স্বাদ বাড়াতে সালাদে মেশানো হয়।এবং এই বেশি স্বাদের আশায় মাঝে মধ্যে এর পরিমাণও বেড়ে দেওয়া হয় । তবে এই স্বাদ বাড়ানোলে জন্য ‘সালাদ ড্রেসিং’ব্যবহারে ফলে সালাদের আসল উদ্দেশ্যই নষ্ট হয়ে যায় । তাই সালাদের স্বাদ বাড়াতে এক বাটি সালাদে এক চামচের বেশি ড্রেসিং ব্যবহার করবেন না। তাছাড়া ড্রেসিং কেনার সময় লক্ষ করবেন কী উপাদান দিয়ে তৈরি। মাথায় রাখবেন জলপাই তেল দিয়ে তৈরি ‘সালাদ ড্রেসিং ’স্বাস্থ্যকর।
ক্রুটনস:- ক্রুটনস এক ধরনের রুটি, যা টুকরা করে তেলে বা মাখনে ভাজা থাকে। এ ধরনের রুটিতে প্রচুর সোডিয়াম এবং ক্যালরি থাকে যা অস্বাস্থ্যকর। তাই সালাদে এই ধরনের রুটি মেশানো হলে ওজন নিয়ন্ত্রণের থাকবেনা বরং বাড়িয়ে দিবে আপনার ওজন
লবণ ও আমিষ:- সবজির সালাদের সথে মুরগি ভাজা, নানা ধরণের বাদাম পরিমাণে বেশি খাওয়া ঠিক না। এ ছাড়া অনেক রেস্তোরাঁতে সালাদে স্বাদ বাড়ানোর নানা ধরনের লবণ মিশিয়ে থাকে। কিছু কিছু লবণে অনেক উচ্চমাত্রায় সোডিয়াম থাকে যা হূদরোগীদের জন্য বেশ ক্ষতিকর।


