১। সবাই কে সন্তুষ্ট করে চলার চেষ্টা করা যাবে না।
যে মানুষ প্রত্যেকটি মানুষ কে সন্তুষ্ট করে মন ভুলিয়ে চলার চেষ্টা করে, তারা আসলেই কাউকেই সুখি বা খুশি রাখতে পারে না। সুতরাং মনে রাখতে হবে সবাইকে খুশি রাখা আমাদের কাজ নয়। নিজের নীতি আদর্শ মেনে চলাই নিজের কাজ।
২। নিজের ভিতরের ক্ষমতাকে বিশ্বাস করা
নিজের ভিতরের যে মানুষ টি আছে অথবা নিজের ভিতরে যে সত্তা আছে, অথবা নিজের ভিতর যে ক্ষমতা আছে সেই ক্ষমতা কে বিশ্বাস করতে হবে। লোকে কি বলে, বা কে কি বলল তা একদম বিশ্বাস করা যাবে না। শুধু মাথায় রাখতে হবে আমরা যেইটা করছি তা আমাদের কাছে কতটা ঠিক মনে হচ্ছে, শুধু সেইটুকু দেখতে হবে।
৩। নিজের সম্পর্কে কখনো বাজে বাজে কথা বলেন না।
যেমনঃ আমি পারি না,আমার দ্বারা হয় না, আমার দ্বারা কিছুই হবে না এই কথা গুলো বলা মানে আমরা নিজের লক্ষ স্থির করছি জীবনে এইগুলো আমরা কিছুই পারইনা সুতরাং চেষ্টা করতে হবে নিজের সম্পর্কে বাজে কথা না বলতে । কারন আমরা যদি নিজের সম্পর্কে বাজে কথা বলে নিজেরা নিজেদের আত্মসম্মান কমাতে থাকি তাহলে কোন কাজই ঠিক করে করতে পারবনা, সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস এর সাথে করতে পারব না।
৪। না বলতে সংকোচ করা যাবে না । এটা কিন্তু সবারই সমস্যা যে আমরা কোন পরিস্থিতিতে বা কোন লোক কে মুখের উপররে না বলতে পারি না। বড় হতে গেলে, ভালো কিছু করতে গেলে না বলাটা শিখতেই হবে। যে সব পরিস্থিতি আমাদের অনুকুল এ নয় , যে সব যায়গাতে যাওয়া ঠিক মনে করছি না বা মনে করছি আমার এইটা করা উচিৎ না ।কিন্তু কেউ একজন আমাদের বার বার অনুরোধ করছে কিন্তু আপনি না করতে পারছেন না এটা কিন্তু একদম করা যাবেনা। একদম মুখের উপরে না বলে দিবেন না বরং তাকে শ্রদ্ধার সাথে নম্রভাবে বুঝিয়ে বলে দিতে হবে দুঃখিত আমি এইটা পারবনা।
৫। নিজের প্রতি খুব কঠোর হতে হবে, কিন্তু অন্যের প্রতি খুব দয়ালু। নিজের প্রতি কঠোর হওয়ার কারন ,নিজের কিছু নিওম-কানুন ও রুটিন ঠিক করতে হবে এবং তা মেনে চলার জন্য কঠোর ভাবে চেষ্টা করতে হবে।
৬।যা আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না তা ছেরে দিতে হবে । কারন আমরা শুধু নিয়ন্ত্রণ করতে পারি নিজের মন কে , নিজের শরীর কে এর বাহিরের কোন পরিস্থিতি কে নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না। সুতরাং সেই গুলো নিয়ে ভেবে ভেবে সময় নষ্ট করার কোন মানেই হ্যনা।
৭। অতিরিক্ত চিন্তা-ভাবনা করা বন্ধ করতে হবে। এই বিষয় টা এখন মরন ব্যাধির মতো হয়ে গেছে, মানুষ এখন শুধু ভেবেই যায় । চিন্তা-ভাবনা করে ৯০% আর কাজ করে ১০% ( যার উল্টোটা হওয়া উচিৎ )।
৮। যদি আমাদের কোন কাজ খারাপ লাগে তা করা যাবে না।যদি কোন কাজ করতে গিয়ে আমদের একটু সন্দেহ হয় বা করা যাবেনা এমন মনে হয় বা ভালো লাগছে না তবে থামে যাওয়া উচিৎ। তাহলে একটু হলেও মন শান্তি পাবে।
৯। প্রতিদিন নিজের সাথে কথা বলা এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ।যদি আমরা ঘুম থেকে উঠে বা ঘুমানোর সময় নিজের সাথে কথা বলি অর্থাৎ আমরা জীবন কি করতে চাই ,কি চিন্তা-ভাবনা আছে, কোন কাজ গুলো করা উচিৎ এই সকল বিষয় নিয়ে যদি নিজেরা নিজেদের সাথে কথা বলি তাহলে আমদের উন্নতি অবশ্যয় হবে। নির্জন এ থেকে কম করে হলেও ৫ মিনিট নিজের সাথে কথা বলা উচিৎ।

